রাজশাহী নগরীতে অভিযান চালিয়ে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রির নগদ ৩ হাজার ৮শ’ ৭০ টাকাসহ ৫জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও চন্দ্রিমা থানা পুলিশ ।
রবিবার (১১ জানুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে শুরু করে রাত পৌনে ১১টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২২৯ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলো, নগরীর মতিহার থানার চর শ্যামপুর এলাকার মোসাঃ নারগিস বানু (৪৪), সে নগরীর চর শ্যামপুর গ্রামের মোঃ ইয়াছিন আলীর স্ত্রী, মোঃ সজল (৩০), মোঃ সাকিব (২২), তারা দু’জন নগরীর চন্দ্রিমা থানার মেহেরচন্ডি কড়াইতলা গ্রামের মোঃ রজব আলীর ছেলে। মোঃ শাহীন (২২), সে তানোর থানার চিনা পাড়া গ্রামের মোঃ ফিরোজের ছেলে বর্তমানে নগরীর চন্দ্রিমা থানার (নিউ কলোনী) এলাকার বাসিন্দা এবং একই থানার মোঃ রাব্বি (২২), সে নগরীর চন্দ্রিমা থানার হাজরাপুকুর এলাকার মোঃ বকুলের ছেলে।
সোমবার সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ গাজিউর রহমান, পিপিএম।
তিনি জানান, রবিবার সন্ধ্যায় মতিহার থানার চর শ্যামপুর এলাকা অভিযান চালিয়ে ২১০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রির নগদ ৩ হাজার ৮শ’ ৭০ টাকা-সহ নারগিসকে তার বসতবাড়ি থেকে গ্রেফতার করেন মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক মোঃ গোলাম কবিরের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটি দল।
এদিন রাত পৌনে ১১টায় নগরীর চন্দ্রিমা থানার মেহেরচন্ডি বৌ-বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়েস সজলের কাছ থেকে ৭ পিস, সাকিবের কাছ থেকে ৫ পিস, শাহীনের কাছ থেকে ৪ পিস এবং রাব্বির কাছ থেকে ৩ পিস মোট ১৯ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ তাদের গ্রেফতার করেন চন্দ্রিমা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে এসআই মোঃ মাসুদ রানা ও সঙ্গীয় ফোর্স।
জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা মাদক বিক্রির উদ্দেশ্যে এসব মাদক নিজেদের কাছে রাখার কথা স্বীকার করেছে।
এ ব্যপারে গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সোমবার সকালে তাদের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
রবিবার (১১ জানুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে শুরু করে রাত পৌনে ১১টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২২৯ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলো, নগরীর মতিহার থানার চর শ্যামপুর এলাকার মোসাঃ নারগিস বানু (৪৪), সে নগরীর চর শ্যামপুর গ্রামের মোঃ ইয়াছিন আলীর স্ত্রী, মোঃ সজল (৩০), মোঃ সাকিব (২২), তারা দু’জন নগরীর চন্দ্রিমা থানার মেহেরচন্ডি কড়াইতলা গ্রামের মোঃ রজব আলীর ছেলে। মোঃ শাহীন (২২), সে তানোর থানার চিনা পাড়া গ্রামের মোঃ ফিরোজের ছেলে বর্তমানে নগরীর চন্দ্রিমা থানার (নিউ কলোনী) এলাকার বাসিন্দা এবং একই থানার মোঃ রাব্বি (২২), সে নগরীর চন্দ্রিমা থানার হাজরাপুকুর এলাকার মোঃ বকুলের ছেলে।
সোমবার সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ গাজিউর রহমান, পিপিএম।
তিনি জানান, রবিবার সন্ধ্যায় মতিহার থানার চর শ্যামপুর এলাকা অভিযান চালিয়ে ২১০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রির নগদ ৩ হাজার ৮শ’ ৭০ টাকা-সহ নারগিসকে তার বসতবাড়ি থেকে গ্রেফতার করেন মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক মোঃ গোলাম কবিরের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটি দল।
এদিন রাত পৌনে ১১টায় নগরীর চন্দ্রিমা থানার মেহেরচন্ডি বৌ-বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়েস সজলের কাছ থেকে ৭ পিস, সাকিবের কাছ থেকে ৫ পিস, শাহীনের কাছ থেকে ৪ পিস এবং রাব্বির কাছ থেকে ৩ পিস মোট ১৯ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ তাদের গ্রেফতার করেন চন্দ্রিমা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে এসআই মোঃ মাসুদ রানা ও সঙ্গীয় ফোর্স।
জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা মাদক বিক্রির উদ্দেশ্যে এসব মাদক নিজেদের কাছে রাখার কথা স্বীকার করেছে।
এ ব্যপারে গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সোমবার সকালে তাদের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :